সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জেলের ঘানি টেনেছেন এই মানুষগুলি

By GizBot Bureau

    ফেসবুকে পোস্ট করে জেলে যেতে হতে পারে আপনাকেও। বিশেষ করে আপনি যদি ক্ষমতাবান রাজনৈতিক নেতাদের উদ্যেশ্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন তাহলে আপনার জেলে যাওয়ার চান্স অনেকটাই বেড়ে যায়।

    সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জেলের ঘানি টেনেছেন এই মানুষগুলি

     

    সোশাল মিডিয়ায় নেতাদের বিরুদ্ধে কথা বলে গারদে যাওয়ার গল্প অবশ্য নতুন নয়। অনেকদিন ধরেই এই দেশে চলছে এই নিয়ম। আসুন দেখে নি এমন কয়েকজনকে যারা সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে গারদের ঘানি টেনেছেন।

    ক্লাস ১১ এর ছাত্র, রামপুর, মার্চ ২০১৫ – ক্লাস ১১ এর এক ছাত্রকে গ্রাপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। তার অপ্রাধ সে ততকালীন উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী আজম খানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট করেছিল। পরে জামিনে ছাড়া পান এই ছাত্র। সুপ্রিম কোর্ট উত্তর প্রদেশ পুলিশের কাছে গ্রাপ্তারের কারন বর্ণনা করতে বলে।

    রাজেশ কুমার, কেরালা, মে ২০১৪ – নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট করার জন্য সিপিএম কর্মী রাজেশ কুমার কে কেরালা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ছবিতে নরেন্দ্র মোদিকে জুতো দেখানো হয়েছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। এই পোস্ট জাতি দাঙ্গা বাধাতে পারত বলে মনে করেছিল পুলিশ।

    দেভু চোদাঙ্কার, গোয়া, মে ২০১৪ – ইনিও মোদির বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট করে গারদের ঘানি টেনেছেন। দেভুর বিরুদ্ধেও পুলিশ জাতি দাঙ্গা বাধানোর উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল।

    পলঘর গার্লস, মুম্বাই, নভেম্বর ২০১২ – পলঘরের দুই মেয়ে কে সশাল মিডিয়া পোস্টের জন্য গ্রেপতার করেছিল পুলিশ। বাল ঠাকরের মৃত্যুর পরে কেন গোটা মুম্বাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এই প্রশ্নই সোশাল মিডিয়ায় তুলেছিল তারা। একজন বলেছিল শ্রদ্ধা নয় ভয়ে বন্ধ হয়েছিল গোটা মুম্বাই। তাঁর বন্ধু তো এই পোস্ট লাইক করার জন্য গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

    রবি শ্রীনিবাসন, পন্ডিচারি, অক্টোবর ২০১২ – পি চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে টুইটারে পোস্ট করার জন্য পন্ডিচারী থেকে গ্রাপতার করে হয়ে রবিকে।

    এবার আধার আপডেটের ইতিহাস জানা যাবে UIDAI ওয়েবসাইটে

    এয়ার ইন্ডিয়া কর্মী, মুম্বাই, মে ২০১২ - মোনমহন সিং এর বিরুদ্ধে পোস্ট করার জন্য মুম্বাই থেকে গ্রাপ্তার করা হয় দুই এয়ার ইন্ডিয়া কর্মচারীকে। এর জন্য ১২ দিন জেলের ঘানি টানতে হয় তাদের।

    অম্বিকেশ মহাপাত্র ও সুব্রত সেনগুপ্ত, যাদবপুর, এপ্রিল ২০১২ – মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে গ্রাপ্তার হন এই দুই জন। এই কারনে সেই সময় রাজ্য রাজনীতিতে কম জলঘোলা হয়নি। পরে আদালতের রায়ে এই দুই জনকে ৫০,০০০ টাকা করে ক্ষতিপুরন দিতে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে।

    Read more about:
    English summary
    Here are seven incidents where citizens were arrested for sharing posts against politicians

    Bengali Gizbot আপনাকে নটিফিকেশন পাঠাতে চায়

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Gizbot sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Gizbot website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more