ভারতে কেন থাবা বসাতে পারছে না আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স?

Posted By: Satyaki Bhattacharyya

বিশ্বব্যাপী কয়েক কোটি মানুষের জীবন ইতিমধ্যেই বদলে দিয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলির নাগরিকদের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের প্রাভাব অনেকটার বেশি। অ্যাপেলের সিরি, অ্যামাজনের অ্যালেক্সা, মাইক্রোসফটের কোর্টানা বা গুগুলের অ্যাসিস্টেন্ট বদলে দিচ্ছে কয়েক কোটি মানুষের জীবন। এছাড়াও আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের জন্য রাস্তায় দেখাআ যাচ্ছে অসংখ্য ড্রাইভার ছাড়া গাড়ি। এছাড়াও তৈরী হচ্ছে এক=মন সব দোকান যেখানে নেই কোন দোকানদার, বা নেই টাকা দেওয়ার কাউন্টার।

ভারতে কেন থাবা বসাতে পারছে না আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স?

কিন্তু একজন ভারতীয় কাছে এইসবই অবাস্তব। ভারতের এই বিশাল বাজার থাকা সত্ত্বেও ভারতে থাবা বসাতে পারেনি আর্টিফিশায়াল ইন্টিলিজেন্স। এর অন্যতম কারণ অবশ্যই এই সফটওয়ারগুলি পশ্চিমের নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে তৈরী। যেমন ধরা যাক গুগুল অ্যাসিস্ট্যান্টে (যা ভারতের সবথেকে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যানড্রয়েডে প্রিলোডেড থাকে) শুধুমাত্র ইংরাজী ও হিন্দী ভাষার সাপোর্ট আছে। কোন ভারতীয় প্রাদেশিক ভাষাই সাপোর্ট করে না গুগুলের এই ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট। আইফোনের সিরির ক্ষেত্রে অবস্থা আরও খারাপ। শুধুমাত্র ইংরাজীতে কথা বলেই ব্যাবহার করা যায় সিরি। স্মার্ট স্পিকার যা এই মুহুর্তে দুনিয়ার অন্যতম হট গেজেট ভারতের বাজারে কোন ছাপ ফেলতে পারেনি এই একই কারণে।

তবে এমনটা নয় যে টেক জায়েন্ট কোম্পানিগুলি ভারতের প্রাদেশিক ভাষা সাপোর্ট দিতে রাজি নন। টেকনোলজিকাল অসুবিধার জন্য এই সমস্যা অতিক্রম করতে সসময় লাগছে টেক কোম্পানিগুলির। যত বেশি কথা বলা হয় তত নিজে থেকেই শিখতে থাকে এই ভার্চুয়াল অ্যাসসিস্ট্যান্টগুলি। কিন্তু ভারতীয় গ্রাহকরা এই বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য দিতে পারছে না এই প্রোডাক্টগুলিকে। যেমন ধরা যাক তেলেগু ভাষায় কথা বলেন ভারতেল প্রায় ৭ কোটি মানুষ। কিন্তু গুগুলের ডাটাবেসে রয়েছে মাত্র ১৫০০ টি তেলেগু বাক্য। অন্যদিকে ফিনিশ ভাষায় কথা বলেন মাত্র ৬০ লক্ষ মানুষ আর গুগুলের ডাটাবেসে রয়েছে ৩৫০০০ ফিনিশ বাক্য।

যদিও ভাষাগত সমস্যা এই পরিস্থিতির একমাত্র কারণ নয়। ভারতের বিরাট সংস্কৃতিগত পার্থক্য পশ্চিমের ডেভেলপাররা এখনো বুঝে উঠতে পাআরছেন না ঠিক করে। তাই ইউটিউব, গুগুল প্লে তে দেওয়া সাজেশান মিলছে না গ্রাহকদের পছন্দের সাথে। তাই এই সার্ভিস ব্যাবহার বন্ধ করে দিচ্ছেন গ্রাহকরা। সারা পৃথিবীতে যে সব কনটেন্ট প্রচন্ড জনপ্রিয় সেই সব কনটেন্টের কোন জনপ্রিয়তা নেই এই দেশে। এছাড়াও নাগরিকদের মধ্যে রয়েছে বিশাল অর্থনৈতিক, সামাজিক পার্থক্য।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের পোস্টার বয় আটোমেটিক কার ভারতের রাস্তায় চলার কোন সুযোগ আদুর ভবিষ্যতে দেখা যাচ্ছে না। ভারতীয় গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি এই টেকনোলগিতে খুব কম আগ্রহ দেখাছহেন। কারণ অবশ্যই এই ধরনের গাড়িন জন্য নির্দিষ্ট আইন না থাকা, ভারতের রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা, আর ভারতের বাস্তায় দায়িত্বজ্ঞানহীন গাড়ি চালানোর বাড়বাড়ন্ত। যদিও টাটা, ফ্লাক্স অটোর মতো কোম্পানিগুলি নিজেদের গাড়িতে ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্সের উপর জোর দিচ্ছে।

আইফোনে ডুপ্লিকেট ছবি ডিলিট করবেন কীভাবে

ভারতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ঠিক করে কাজ করবে যদি তা ভারতে তৈরী হয় বা ভারতীয়রা তৈরী করেন। পশ্চিমের ইঞ্জিনিয়ারদের পক্ষে ভারতের গ্রাহকদের মন বোঝা খুবই দুস্কর। কারন অবশ্যই ভারতীয় সংস্কৃতির ব্যাবকতা। হয়তো কোন স্টার্ট আপ বা কোন ওপেন সোর্স প্রোজেক্ট ভারতীয়দের আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ব্যাবহারের স্বপ্ন স্বার্থক করবে আদুর ভবিষ্যতে।

Read more about:
English summary
Why Indians are so untouched by the new technological revolution Artificial Inteligence? there are many reasons behing it. Major reasons are various regional languages and difference in culture. Also engineers from west unble to decode indian mind to push them proper automated content.

Social Counting

Bengali Gizbot আপনাকে নটিফিকেশন পাঠাতে চায়

We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Gizbot sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Gizbot website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more